Tuesday, December 20, 2011

Fwd: [bangla-vision] Arrest Khaleda Zia and Golam Azam immediately !!!!



---------- Forwarded message ----------
From: Muhammad Ali <manik195709@yahoo.com>
Date: 2011/12/19
Subject: [bangla-vision] Arrest Khaleda Zia and Golam Azam immediately !!!!
To:


 

BNP-JAMAT STARTED ANARCHY ALL OVER THE COUNTRY TO SAVE THE WAR CRIMINALS AND THE
 CORRUPTED TARIQUE AND KOKO !!
 
We urge govt. to arrest Khaleda Zia and Golam Azam immediately.
 

হঠাৎ বিস্ফোরণ আগুন, নিহত ২

ঢাকাসহ ৮ জেলায় চোরাগোপ্তা হামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক | তারিখ: ১৯-১২-২০১১
গতকাল সকাল থেকেই হঠাৎ চোরাগোপ্তা হামলা, ককটেলের বিস্ফোরণ, গাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় রাজধানীজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ রকম পরিস্থিতি ছিল ঢাকার বাইরে কয়েকটি জেলায়ও। ঢাকায় ককটেল বিস্ফোরণে একজন এবং সিলেটে বাসের ভেতরে আগুনে পুড়ে একজন মারা গেছেন।
গতকাল রোববার মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনার আয়োজন করে বিএনপি। এ জন্য ঢাকার বাইরে থেকে বিএনপির বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মীকে ঢাকায় জড়ো করার চেষ্টা ছিল। তবে বিএনপির পক্ষ থেকে এভাবে লোকসমাগমের কথা প্রকাশ করা হয়নি। বিভিন্ন জায়গায় রাজধানীমুখী নেতা-কর্মীদের বহনকারী গাড়ি আটকে দেয় পুলিশ। বিএনপির সংবর্ধনা কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে রাজধানীসহ আট জেলায় চোরাগোপ্তা হামলার ঘটনা ঘটেছে। জেলাগুলো হচ্ছে: সিলেট, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ, বরিশাল, ময়মনসিংহ, ফরিদপুর ও রাজশাহী। এ ছাড়া চট্টগ্রামে বিএনপির কার্যালয়ের সামনে মঞ্চ তৈরি করে সকাল থেকে দিনভর সমাবেশ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ঢাকার অন্তত ১০টি জায়গায় ৫০টির মতো ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটেছে। মতিঝিলে বিস্ফোরণে একজন নিহত ও দুজন আহত হয়। গাড়ি পোড়ানো হয় ১৪টি। আটক করা হয়েছে ২৬৫ জনকে। পুলিশ লাঠিপেটার পাশাপাশি কাঁদানে গ্যাস ও জলকামান ব্যবহার করে। এসব ঘটনায় অন্তত ৫০ জন জখম হয়। বিএনপির কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরিত হলেও ভেতরে নেতা-কর্মীদের কেউ ছিলেন না। তাঁরা অফিস তালা মেরে সারা দিনই প্রেসক্লাব চত্বরে অবস্থান নেন।
ঢাকা মহানগর পুলিশের উপকমিশনার (সদর দপ্তর) হাবিবুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, পুলিশের কাছে খবর ছিল, মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশের নামে ঢাকা অচল করে দেওয়ার পরিকল্পনা করছে বিএনপি। এ জন্য সকাল থেকে তৎপর ছিল পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, ভোর পাঁচটায় কাকরাইল মসজিদ এলাকায় দুটি বাসে নেতা-কর্মীরা এসে নামেন। এ সময় তাঁদের আটক করার চেষ্টা করে পুলিশ। তখনই সংঘর্ষের শুরু। এরপর মতিঝিল, মহাখালী, পল্টন এলাকার বিভিন্ন অলিগলি ও কাকরাইল, শান্তিনগর এলাকায় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। পল্টন ও মতিঝিল এলাকায় দুপুর ১২টা পর্যন্ত থেমে থেমে সংঘর্ষ চলে।
সপ্তাহের প্রথম দিনে অফিসগামী নগরবাসী চরম ভোগান্তিতে পড়েন। বিস্ফোরণ ও ভাঙচুরের আতঙ্কে রাস্তায় যান চলাচল ছিল কম। মতিঝিলের অফিসপাড়া ছিল অন্য দিনের তুলনায় অনেকটা ফাঁকা। সংঘর্ষের আতঙ্কে অনেকেই কাজে বের হননি। তিতুমীর কলেজে সংঘর্ষের পর গুলশান-বনানী এলাকার অফিসগুলোতেও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
ককটেল বিস্ফোরণ, নিহত ১: সকাল সাড়ে নয়টায় মতিঝিলের এল্লাল চেম্বারের সামনে ককটেলের বিস্ফোরণে আরিফুজ্জামান (২৫) নামের একজন নিহত ও জাহাঙ্গীর আলম (৩৫) নামের একজন আহত হন।
গতকাল জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দাবি করেন, নিহত আরিফুজ্জামান তাঁদের দলের নেতা। পুলিশ তাঁকে গুলি করে হত্যা করেছে।
তবে নিহত আরিফুজ্জামানের মা ফাতেমা বেগম হাসপাতাল মর্গে সাংবাদিকদের বলেন, আরিফুজ্জামান গাড়ি চালানো শিখছিলেন। তিনি রাজনৈতিক দলের নেতা বা কর্মী নন, তবে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিতেন।
আরিফুজ্জামান সকালে কেন মতিঝিলে যান, জানতে চাইলে ফাতেমা বেগম বলেন, আলাল নামের একজনের কাছে গাড়ি চালানো শিখতেন আরিফুজ্জামান। সকাল সাতটার দিকে গাড়ি চালানো শেখার জন্য বের হন। তাঁর বাসা উত্তর গোড়ানে। এ ঘটনায় আরিফুজ্জামানের বাবা জয়নাল আবেদীন অজ্ঞাতদের আসামি করে মতিঝিল থানায় একটি হত্যা মামলা করেছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীর কথা: গতকাল সকাল সাড়ে নয়টায় একাধিক ভাড়া করা বাসে মতিঝিলে এসে নামেন কিছু তরুণ-যুবক। কিছুক্ষণ পর হঠাৎ পর পর তিনটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটে। এরপর দুজনকে পড়ে থাকতে দেখা যায়। র‌্যাব-৩-এর পরিচালক রফিকুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিকভাবে তাঁদের মনে হয়েছে, নিহত যুবক ককটেল বহন করছিলেন।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গ সূত্র জানিয়েছে, বিস্ফোরণে নিহতের মাথার চুল পুড়ে গেছে, গলার বাঁ দিকে গভীর ক্ষত রয়েছে আর বাঁ হাতে সাদা পাউডার-জাতীয় পদার্থ মাখা ছিল। তাঁর গলায় ধাতব স্প্লিন্টার পাওয়া গেছে।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ঘরোয়া রেস্তোরাঁর সামনের সিগারেট বিক্রেতা সোহরাব হোসেন বলেন, কিছু যুবক বাস থেকে নেমে এক জায়গায় জড়ো হচ্ছিলেন। কোনো মিছিল বা স্লোগান ছিল না। হঠাৎ পর পর তিনটি বিস্ফোরণের শব্দ হয়। লোকজন ভয়ে ছোটাছুটি করে নিরাপদ জায়গায় চলে যায়। তিনি দোকানসহ ঘরোয়া রেস্তোরাঁর ভেতরে চলে যান। এ সময় যুবকেরা চার-পাঁচটি গাড়ি ভাঙচুর করেন। কয়েক মিনিটের মধ্যে পুলিশ এলে ভাঙচুরকারীরা পালিয়ে যান।
ককটেল বিস্ফোরণে আহত জাহাঙ্গীর আলম বলেন, তিনি শেয়ার ব্যবসা করেন। সকালে সিটি ব্যাংকের সামনে দিয়ে সেনাকল্যাণ ভবনের দিকে যাচ্ছিলেন। রাস্তা পার হওয়ার সময় সড়ক বিভাজকের কাছে হঠাৎ বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটলে তিনি পড়ে যান। এরপর তিনি পায়ে আঘাতের বিষয়টি টের পান।
প্রত্যক্ষদর্শী ও ঢাকা মেডিকেল সূত্র জানায়, নিহত আরিফুজ্জামানকে দৌড়ে রাস্তা পার হতে দেখা যায়। সড়ক বিভাজকের কাছে গিয়ে তিনি উপুড় হয়ে পড়ে যান। এ সময় বিস্ফোরণ ঘটে। ময়নাতদন্ত শেষে গতকালই তাঁর লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
আরও বিস্ফোরণ: পুলিশের সঙ্গে বিএনপির নেতা-কর্মীদের পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার সময় জিরো পয়েন্ট এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণে আহত হন সোনালী ব্যাংকের রমনা করপোরেট শাখার কর্মকর্তা সালেহ আহমেদ মজুমদার (৫৩)। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সালেহ আহমেদ বলেন, সকাল সাড়ে আটটার দিকে জিপিওর সামনে দিয়ে তিনি হেঁটে প্রেসক্লাবে অভিবাসী দিবসের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে যাচ্ছিলেন। তখন বিকট শব্দে একটি ককটেল বিস্ফোরণে তিনি গলায় আঘাত পান।
এ ছাড়া শাহবাগে বারডেম হাসপাতালের ফটক, পরীবাগ, নটর ডেম কলেজের সামনে, নয়াপল্টনে বিএনপি কার্যালয়ের সামনে, প্রেসক্লাবের সামনে, সায়েদাবাদে আর কে কলেজের পাশে, পল্টন মোড়ে, সায়েন্স ল্যাবরেটরি, মতিঝিল শাপলা চত্বর, কাঁটাবন, শেরেবাংলা নগরের উড়োজাহাজ ক্রসিং এলাকায় অন্তত ৫০টি ককটেল বিস্ফোরিত হয়। বিএনপির কার্যালয়ের সামনে অন্তত ১৪টি ককটেল বিস্ফোরিত হয়েছে। এতে দুটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলের গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
আগুন-ভাঙচুর: মতিঝিল, বিজয়নগর, ফকিরেরপুল, কারওয়ান বাজার, প্রেসক্লাবসহ বিভিন্ন এলাকায় সকাল সাড়ে ছয়টা থেকে খণ্ড খণ্ড দলে চোরাগোপ্তা হামলা চালানো হয়। রাজধানীতে পৃথক ঘটনায় পুলিশের একটি পিকআপসহ ১৪টি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় বলে ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণকক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। এর মধ্যে শান্তিনগরে কনকর্ড টাওয়ারে শিল্পাঞ্চল থানার পুলিশের একটি পিকআপ, মতিঝিল বক চত্বরে একটি বাস, গুলিস্তানের মহানগর নাট্যমঞ্চের সামনে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা, কারওয়ান বাজারে ওয়াসা ভবনের সামনে বাস, গোলাপ শাহ মাজারের কাছে একটি বাস, আবদুল্লাহপুরে একটি বাস, পান্থপথে একটি অটোরিকশা, বাড্ডা লিংক রোডে একটি বাস, মিরপুর ১ নম্বরে আনসার ক্যাম্পের সামনে একটি বাস, গাবতলীতে একটি বাস, আজিমপুর অগ্রণী স্কুলের সামনে একটি বাস ও বারডেমের সামনে একটি বাসে আগুন দেওয়া হয়। রাতে মিরপুর ১০ নম্বরে ও বাড্ডায় আরও দুটি গাড়ি পোড়ানো হয়।
সংঘর্ষ: পল্টন থানা এলাকায় ভোর থেকে হোটেল কস্তুরীর গলি, কালভার্ট বক্স গলি, স্টেডিয়াম গেট, মতিঝিল থানার পীর সাহেবের গলি, কমলাপুর, মালিবাগ মৌচাকের গলিসহ শ খানেক স্থানে দলে দলে যুবকেরা অবস্থান নেন। তাঁরা মিছিল নিয়ে প্রধান সড়কে এগোতে থাকলে পুলিশ তাঁদের বাধা দেয়। এ নিয়ে পুলিশের সঙ্গে তাঁদের সংঘর্ষ বাধে। এ ঘটনায় অজ্ঞাত দুই-আড়াই শ জনকে আসামি করে পল্টন থানায় একটি মামলা করেছে পুলিশ।
পুলিশের মতিঝিল বিভাগের উপকমিশনার আনোয়ার হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য কাঁদানে গ্যাসের শেল ছোড়ে। বিএনপি ও জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা যৌথভাবে পুলিশের ওপর হামলা চালান। হামলাকারীদের বয়স আনুমানিক ২০-২৫ বছর।
মতিঝিলে বিএনপির এক কর্মী নিহত হয়েছেন, এমন খবরে বেলা পৌনে দুইটার দিকে তিতুমীর কলেজ শাখা ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করেন। একপর্যায়ে তাঁরা প্রধান সড়কে নামতে গেলে পুলিশ বাধা দেয়। এ সময় শুরু হয় সংঘর্ষ। পুলিশ লাঠিপেটা করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

পাঠকের মন্তব্য

__._,_.___

--
Palash Biswas
Pl Read:
http://nandigramunited-banga.blogspot.com/

No comments:

Post a Comment

Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...

Census 2010

Welcome

Website counter

Followers

Blog Archive

Contributors